“বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)” এর
“গঠনতন্ত্র”

ধারা-১ : সংগঠনের নাম :
এই সমিতি’র নাম হইবে “বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)” এবং ইংরেজিতে “Bangladesh Psychological Association (BPA)” ।

ধারা-২ : সংগঠনের ঠিকানা :
বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় ১৫/বি, মিরপুর রোড, তৃতীয় তলা, ঢাকা ১২০৫ অবস্থিত হইবে। কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনীয় অর্থের সংকুলানের মাধ্যমে ঢাকায় সুবিধাজনক স্থানে বিপিএ’র স্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থাপন করিবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সংস্থার কার্যালয় ঢাকা জেলার যে কোন স্থানে স্থানান্তরিত হইলে ০১(এক) সপ্তাহের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হইবে।

ধারা-৩ : সংগঠনের কার্য এলাকা :
প্রাথমিক ভাবে ঢাকা জেলায়; তবে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করা যাইবে।

ধারা-৪ : সংগঠনের ধরন :
এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, স্বেচছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক সংগঠন। এক বা একাধিক বিষয়ের বা বিভিন্ন কার্যক্রমের সমম্বয়ে পেশাগত উন্নয়ন, সমাজকল্যাণ, সেবাদান ও সমাজ উন্নয়নমূলক এবং মানব হিতৈষী সংগঠন।

ধারা-৫ : সংগঠনের বিস্তারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নিম্নোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করিবে)।
এই অ্যাসোসিয়েশন এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলী হইবে :

ক. জ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা এবং বৃত্তি হিসাবে মনোবিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনকল্পে পন্থা উদ্ভাবন করা।
খ. বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত মনোবিজ্ঞানীদের জন্য শিক্ষার মান এবং বৃত্তিগত নীতিমালা নিরূপণ করা।
গ. মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে জাতীয় আদর্শ বাস্তবায়ন এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যাসমূহ সমাধানকল্পে মনোবিজ্ঞানকে প্রয়োগের জন্য উপযুক্ত কর্মপন্থা অবলম্বন করা।
ঘ. সময়ে সময়ে সম্মেলন, গবেষণামূলক আলোচনা এবং প্রদর্শনীর আয়োজন করা।
ঙ. জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহের উপর সরকার এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহকে অভিজ্ঞ পরামর্শদান এবং এই সব ক্ষেত্রে গবেষণাকে উৎসাহিত করা।
চ. অ্যাসোসিয়েশন এর কার্যাবলী দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা এবং ইহার উদ্দেশ্য সাধনকল্পে সরকার, জন-সংগঠন, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত সাহায্য ও সমর্থন সংগ্রহ করা।
ছ. গবেষণামূলক প্রবন্ধ এবং শিক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়াদি প্রকাশ করা।
জ. জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা জনসমক্ষে তুলিয়া ধরা এবং শিক্ষাপ্রাপ্ত মনোবিজ্ঞানীদের কাজে লাগাইবার জন্য সরকার এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা।
ঝ. বিজ্ঞান হিসাবে মনোবিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনকল্পে অন্যান্য দেশের মনোবিজ্ঞান সমিতিসমূহের এবং আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি-সভার সহিত যোগাযোগ রক্ষা করা এবং পারস্পারিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
ঞ. মনোবিজ্ঞানের বিভিন্ন ফলিত শাখায় কর্মরত মনোবিজ্ঞানীদের (Practicing Psychologists) যোগ্যতার সনদপত্র প্রদান করা।

ধারা-৬ :   সদস্যভুক্তির নিয়মাবলী ও সদস্যপদের ধরন :
      ক.   সাধারণ সদস্যপদ (যোগ্যতা এবং চাঁদা) ঃ কোন ব্যক্তিকে বিপিএ’র সদস্য হইবার জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করিতে হইবে-
১.  মনোবিজ্ঞানে পিএইচডি অথবা স্নাতকোত্তর অথবা স্নাতক (সম্মান) অথবা সমমানের ডিগ্রী থাকিতে হইবে। [ টীকা ঃ ডিগ্রীর সমতা কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত হইবে]
২. বিপিএ’র সাধারণ সদস্যপদ লাভের জন্য চাঁদা বাবদ ২০০০.০০ (দুই হাজার) টাকা (অন্তর্ভুক্তি ফি ১৫০০.০০ টাকা এবং বার্ষিক চাঁদা ৫০০.০০ টাকা) প্রদান করিতে হইবে।
৩. প্রত্যেক সাধারণ সদস্যকে বার্ষিক চাঁদা হিসাবে পাঁচশত টাকা মাত্র প্রদান করিতে হইবে।
৪. সদস্য সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হইবে।
খ.   আজীবন সদস্যপদ :
         ৬ (ক) নম্বর ধারায় বর্ণিত যোগ্যতা সম্পন্ন যেকোন ব্যক্তি এককালীন ৫০০০.০০ (পাঁচ হাজার) টাকা মাত্র প্রদান করিয়া বিপিএ’র আজীবন সদস্য পদ লাভ করিতে পারিবেন।
গ. আজীবন সহযোগী সদস্যপদ :
          মনোবিজ্ঞান বিষয়সহ অথবা মনোবিজ্ঞানের সহিত সর্ম্পকযুক্ত কোন বিষয়সহ স্নাতক/¯œাতকোত্তর ডিগ্রী প্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি সদস্য ফি হিসাবে এককালীন ৩০০০.০০ (তিন হাজার) টাকা মাত্র প্রদান করিয়া কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সমিতি’র আজীবন সহযোগী সদস্য হইতে পারিবেন।
ঘ. সম্মানসূচক সদস্যপদ :
       মনোবিজ্ঞানের প্রসার ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ কোন বিশেষ ব্যক্তিকে সম্মানসূচক আজীবন সদস্যপদ প্রদান               করিতে পারিবেন। তবে এক্ষেত্রে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হইবে।
ঙ. বিদেশী সদস্য :
        বার্ষিক চাঁদা হিসাবে 20ইউ.এস. ডলার ($20) বা সমপরিমান টাকা প্রদান করিলে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ মনোবিজ্ঞানে ডিগ্রীধারী কোন বিদেশী নাগরিককে বিপিএ’র বিদেশী সদস্য হিসাবে অর্ন্তভুক্ত করিতে পারিবেন।
চ. শিক্ষার্থী সদস্য :
         মনোবিজ্ঞান বিষয়ে পাঠরত অবস্থায় থাকাকালীন একজন শিক্ষার্থী ১০০০ টাকা ফি দিয়ে শিক্ষার্থী সদস্য হইতে পারিবেন; তবে শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার সাথে তাঁর সদস্যপদের মেয়াদও শেষ হইবে।
ছ. পৃষ্ঠপোষক :
     মনোবিজ্ঞানের প্রসারে ও উন্নয়নে সাহায্যকারী কোন ব্যক্তি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে বিপিএ’র পৃষ্ঠপোষক হইতে পারিবেন।
ধারা-৭ :  সদস্যেদের অধিকার এবং সুযোগ সুবিধা :
   সাধারণ সদস্য, আজীবন সদস্য, আজীবন সহযোগী সদস্য, সম্মানসূচক আজীবন সদস্য, বিদেশী সদস্য এবং পৃষ্ঠপোষকদের অধিকার এবং সুযোগ সুবিধাসমূহ ঃ
ক. গঠনতন্ত্রের ৬ (ক) এবং (খ) ধারায় বর্ণিত সদস্যগণের নি¤েœ উল্লেখিত বিষয়সমূহ ছাড়াও ভোট দেওয়ার ক্ষমতা থাকিবে।
এছাড়া, সমিতি’র সভাপতি ও মহাসচিব-এর যৌথ স্বাক্ষরে সদস্য নম্বর (Code Number) পাইবার অধিকারী হইবেন।
খ. গঠনতন্ত্রের ৬ (গ) নং হইতে ৬ (চ) নং ধারা পর্যন্ত সদস্যদের নিম্নলিখিত অধিকারসমূহ থাকিবে ঃ
১. বিপিএ’র সভায় আমন্ত্রিত হইবেন।
২. বিপিএ’র সম্মেলনে প্রবন্ধ পাঠ এবং আলোচনায় অংশ গ্রহণ করিতে পারিবেন।
৩. বিপিএ’র বার্ষিক/ত্রি-বার্ষিক সভার কার্যবিবরণী পাইবেন।
৪. বিপিএ’র প্রকাশনাসমূহ পাইবেন।
ধারা-৮ : সদস্যপদ বাতিলের নিয়মাবলী :
নিম্মে উল্লে¬খিত কারণে সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হইতে পারিবে ঃ-
ক.  একাধারে ০২ (দুই) বছর চাঁদা প্রদান না করিলে অথবা সদস্যপদ নবায়ন না করিলে।
খ.  কার্যনির্বাহী পরিষদে নির্বাচিত কোন সদস্য যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকিলে।
গ.  স্বেচছায় পদত্যাগ করিলে।
ঘ.  আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হইলে।
ঙ.  পাগল কিংবা দেউলিয়া সাব্যস্ত হইলে।
চ.  গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কোন কার্যকলাপে লিপ্ত হইলে।
ছ.  সমাজ বিরোধী কোন কাজে অংশ গ্রহণ করিলে।
জ.  সংগঠন থেকে বেতন, ভাতা, সম্মানী বা কোন প্রকার আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করিলে।
ঝ.  রাস্ট্র বিরোধী কোন কাজে অংশ গ্রহণ করিলে।
ঞ.  মৃত্যুবরণ করিলে।
ধারা-৮.১. :     শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ:
  কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের কাছে যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন সদস্য– সমিতির স্বার্থ পরিপন্থি, সুনাম ক্ষুন্নকারী ও গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কোন কাজ করেছেন বা এমন কোন কাজে লিপ্ত রয়েছেন; বা প্রতারণামূলকভাবে অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কোন বিষয় উত্থাপন করে ক্ষতিকর ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন; তাহলে, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিবেচনামত সিদ্ধান্ত গ্রহণপূর্বক গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত যেকোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। তবে ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্ত সদস্যকে আতœপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৫ (পনের) দিন সময় দিয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ দিতে হবে।
ধারা-৮.২. :   শাস্তির ধরন:
ক. সতর্কতামূলক পত্র প্রদান;
খ. নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সদস্যপদ স্থগিত করা;
গ. সদস্যপদ বাতিল করা;
ঘ. সদস্যপদ বাতিল এবং ভবিষ্যতে বিপিএ’র সদস্যপদ প্রাপ্তির অযোগ্য ঘোষণা করা।
ধারা-৯ :    সদস্যপদ পুনঃ লাভের পদ্ধতি :
   সদস্যপদ হারানোর পর উপযুক্ত জবাব লিখিতভাবে সভাপতি/মহাসচিব এর কাছে পেশ করিতে হইবে। সভাপতি/ মহাসচিব ঐ জবাব কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করিবেন। সভায় ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য তা অনুমোদন করিলে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করিয়া পুনরায় সদস্যপদ লাভ করা যাইবে।

ধারা-১০ : সাংগঠনিক কাঠামো :
সংগঠনের ব্যবস্থাপনার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো হইবে তিনটি-যথা ঃ (১) সাধারণ পরিষদ, (২) নির্বাহী পরিষদ, এবং (৩) আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ।

ধারা-১০.১ : সাধারণ পরিষদ :
ক. গঠনতন্ত্রের ৬ (ক) এবং (খ) নং ধারায় বর্ণিত সদস্যগণকে লইয়া বিপিএ’র সাধারণ পরিষদ গঠিত হইবে।
খ. নিম্নলিখিত বিষয়গুলি সাধারণ পরিষদের এখতিয়ারে থাকিবে ঃ
১. প্রয়োজন অনুযায়ী বিপিএ’র বার্ষিক সাধারণ সভা প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হইবে। বার্ষিক সাধারণ সভার অন্তত: এক মাস আগে তারিখ নির্ধারণ ও সভার নোটিশ দিতে হইবে। ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভায় বিপিএ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হইবে।
২. ইহার আওতাভুক্ত অন্যান্য বিষয়সমূহ বিবেচনা করিবে।
গ. গণপূতি : মোট সদস্য সংখ্যার এক পঞ্চমাংশ লইয়া সাধারণ পরিষদের গণপূর্তি হইবে।
ঘ. সাধারণ পরিষদের বিশেষ সভা/তলবী সভা: সভাপতি প্রয়োজন মনে করিলে অথবা মোট সদস্যের কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশের লিখিত অনুরোধ পাইলে সভাপতি সাধারণ পরিষদের বিশেষ সভা/তলবী সভা আহŸান করিতে পারিবেন। মোট সদস্যের এক-পঞ্চমাংশ লইয়া এই রকম সভার গণপূর্তি হইবে।

ধারা-১০.২ : কার্যনির্বাহী পরিষদ :
নিম্নলিখিত কর্মকর্তা ও সদস্যদের লইয়া গঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের উপর বিপিএ’র ব্যবস্থাপনা ন্যস্ত থাকিবে ঃ
১. একজন সভাপতি
২. সাত জন সহ-সভাপতি (ক্রমিক নং ১ থেকে ৭ দ্বারা সহ-সভপতিগণের জ্যেষ্ঠতা নির্দেশিত হইবে)।
৩. একজন মহাসচিব
৪. একজন যুগ্ম-মহাসচিব
৫. একজন কোষাধ্যক্ষ
৬. চারজন সাংগঠনিক সম্পাদক
৭. একজন দপ্তর সম্পাদক
৭.১. একজন সহ-দপ্তর সম্পাদক
৮. একজন সেমিনার/সিম্পোজিয়াম সম্পাদক
৯. একজন প্রকাশনা সম্পাদক
১০. একজন সাংস্কৃতিক সম্পাদক
১১. পনের (১৫) জন নির্বাহী সদস্য
৯. বিভাগীয়/আঞ্চলিক কমিটিসমূহের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ নির্বাহী সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হইবেন।
১০. একাডেমিক শাখা ভিত্তিক সোসাইটিসমূহের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ নির্বাহী সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হইবেন।
ধারা-১০.৩ : আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ :
কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে প্রতিটি প্রশাসনিক বিভাগ/সাংগঠনিক বিভাগে একটি “আঞ্চলিক কমিটি” এবং মনোবিজ্ঞানের প্রতিটি শাখা ভিত্তিক একটি করে “সোসাইটি” থাকিতে পারিবে। সরকারিভাবে সৃষ্ট প্রশাসনিক বিভাগসমূহে এবং বিপিএ’র বিবেচনায় সৃষ্ট সাংগঠনিক বিভাগসমূহে আঞ্চলিক কমিটি গঠন করা যাইবে।

ধারা-১১ : সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা-দায়িত্ব :
ক. সংগঠনের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করিবে।
খ. সংগঠনের বার্ষিক বাজেট অনুমোদন করিবে ।
গ. সংগঠনের নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন করিবে।
ঘ. সংগঠনের গঠনতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে কাজ করিবে।
ঙ. সংগঠনের গঠনতন্ত্রের কোন প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন হইলে সাধারণ সভায় উপস্থিত ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে তাহা সংশোধন করিবে।
চ. সংগঠনের বিলোপ সাধনের প্রয়োজন দেখা দিলে ৩/৫ (তিন-পঞ্চমাংশ) সদস্যদের অনুমোদনক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে।
ছ. সংগঠনের দূর্যোগ মুহূর্তে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে এবং তাহা চুড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।
জ. সংগঠনের আর্থিক নিয়মনীতি ও চাকুরীবিধি অনুমোদন করিবে।
ঝ. তলবী সভা আহŸানপূর্বক কার্যনির্বাহী পরিষদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনিতে পারিবে।
ঞ. সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন ও অনুমোদন করিবে।

ধারা-১২ : কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব :
সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দৈনন্দিন কার্যাবলী পরিচালনা করা। সাধারণ পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী আয় ও ব্যয় করা। দৈনন্দিন খরচ অনুমোদন করা। বাজেট প্রণয়ন এবং অনুমোদনের জন্য সাধারণ সভায় পেশ করা। অনুমোদিত হিসাব নিরীক্ষা ফার্ম কর্তৃক বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা করা। সংগঠনের ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করা। সকল কার্যক্রম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী পরিচালনা করা। সংগঠনের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা এবং নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি নির্ধারণ করা। সংগঠনের নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করা এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করা। সংগঠনের জনবল নিয়োগের বিষয়ে চাকুরী বিধিমালা প্রণয়ন ও সাধারণ পরিষদের অনুমোদন গ্রহণ করা। বিশেষ কার্য স¤পাদনে উপ-কমিটি গঠন করা। বার্ষিক সাধারণ সভা, ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা এবং মনোবিজ্ঞান সম্মেলনের দিন, তারিখ, সময়, স্থান এবং এজেন্ডা নির্ধারণ করা। কার্যনির্বাহী পরিষদ বিদেশের মনোবিজ্ঞান সমিতিসমূহের সহিত নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার ব্যাপারে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করিবে। বিদেশ সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ের উপর কাজ করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার দায়িত্ব কার্যনির্বাহী পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকিবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ, আঞ্চলিক নির্বাহী পরিষদ এবং শাখা ভিত্তিক সোসাইটিসমূহের নির্বাহী পরিষদ স্ব-স্ব বাজেট প্রণয়ন করিবে এবং বার্ষিক সাধারণ সভা/ ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভায় উহা পেশ করিবে এবং ইহার আওতাভুক্ত বিষয়াদি সর্ম্পকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে। সংগঠনের সকল হিসাব-নিকাশ, খরচের ভাউচার, বই ও ক্যাশ বই করার ব্যবস্থা করা। সংগঠনের সকল প্রশাসনিক, ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করা এবং ধারা-৮ অনুযায়ী কোন সদস্যদের সদস্যপদ বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আঞ্চলিক/বিভাগীয় কমিটি ও শাখাভিত্তিক কমিটিসমূহের নির্বাচন তদারক করা।

গণপূর্তি : কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের এক চতুর্থাংশ সদস্যকে লইয়া গণপূর্তি হইবে।

ধারা-১৩ :    প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য :
ধারা-১৩.১ :  সভাপতি :
ক.  সংগঠনের সভাপতি সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
খ.  সাধারণ পরিষদ ও কার্যনির্বাহী পরিষদ সভাসমূহে সভাপতিত্ব করিবেন।
গ.  কোন সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যদি সমান সংখ্যক ভোট পড়ে তবে কাস্টিং ভোট প্রদান করিয়া সমস্যার মীমাংসা করিবেন।
ঘ.  প্রতিষ্ঠানের খরচের অনুমোদন দিবেন।
ধারা-১৩.২ :  সহ-সভাপতি :
   সভাপতির অনুপস্থিতিতে ১ম সহ-সভাপতি সভাপতির যাবতীয় কার্যাবলী সম্পন্ন করিবেন। সভাপতি ও ১ম সহ-সভাপতির অনুপস্থিতিতে ২য় সহ-সভাপতি সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন। এরপরও সভাপতির পদ শূন্য হইলে, সভাপতির দায়িত্ব পালনের জন্য সহ-সভাপতিগণের ক্রম অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হইবে।
ধারা-১৩.৩ : মহাসচিব :
মহাসচিব নিম্নলিখিত কর্তব্য সম্পাদন করিবেন ঃ
ক.  অবৈতনিক নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
খ.  সমিতি’র মুখপাত্র হিসাবে সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে সভার তারিখ, সময়, স্থান ও আলোচ্যসূচী নির্ধারণপূর্বক সভার নোটিশ প্রদান করিবেন।
গ.   সংগঠনের পক্ষে চিঠিপত্র আদান প্রদান করিবেন।
ঘ.   সংগঠনের পক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও দাতা সংগঠনসমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করিবেন।
ঙ.   সংগঠনের সকল সম্পদের দেখাশুনা ও প্রয়োজনে সংশ্লি¬ষ্ট ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করিবেন।
চ.   কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে সংগঠনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব রক্ষণাবেক্ষন করিবেন।
ছ.   বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের কাজের প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত হিসাব পেশ করিবেন।
জ.  বাৎসরিক বাজেট প্রণয়ন এবং সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করিবেন।
ঝ.   কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন পরিষদের কাজের তদারকি করিবেন।
ঞ.  সংগঠনের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন।
ট.   যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে সভাপতির সহিত পরামর্শ করিবেন।
ঠ.   তাঁহার আওতাভুক্ত যাবতীয় বিষয় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের গোচরীভূত করিবেন।
ধারা-১৩.৩.১ : যুগ্ম-মহাসচিব :
   মহাসচিব-এর অনুপস্থিতিতে যুগ্ম মহাসচিব ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসাবে যাবতীয় কর্তব্য সম্পাদন করিবেন। এছাড়া, সমিতি’র সকল কাজে মহাসচিবকে সহযোগিতা করিবেন।
ধারা-১৩.৪ : কোষাধ্যক্ষ:
ক.  কোষাধ্যক্ষ বিপিএ’র তহবিলের তত্ত¡াবধায়ক হইবেন এবং সংগঠনের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ক দায়িত্ব পালন করিবেন।
খ.  ব্যাংকের সহিত লেন-দেন ও বিপিএ’র যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষা করিবেন এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব ক্যাশ বইতে উঠানোর ব্যবস্থা করিবেন।
গ.  সংগঠনের খরচ, বিলের ভাউচার ও সদস্যদের চাঁদার হিসাবসহ সকল প্রকার আর্থিক হিসাবপত্র সংরক্ষণের ব্যবস্থা করিবেন।
ঘ.  সংগঠনের মাসিক ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং অডিট রিপোর্ট করানোর জন্য সকল প্রকার প্রস্তুতি তিনি গ্রহণ করিবেন।
ঙ.   ব্যাংকে টাকা জমাদান এবং ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করিবেন।
চ.   বিশ হাজার টাকার উপরে যেকোন লেনদেন ব্যাংক চেকের মাধ্যমে সম্পাদন করিতে হইবে।
ছ.   সভাপতি/মহাসচিবের অনুমোদনক্রমে সংগঠনের যাবতীয় বিল পরিশোধ করিবেন।
জ. বিপিএ’র সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রণীত নিয়ম ও বিধান অনুযায়ী সংগঠনের হিসাব পত্র রক্ষণাবেক্ষণ করিবেন।
ঝ.  কোষাধ্যক্ষ সাধারণ পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট খসড়া বাজেট পেশ করিবেন।
ধারা-১৩.৫ :  সাংগঠনিক সম্পাদক :
   সাংগঠনিক সম্পাদকগণ বিপিএ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত এবং তাহাদের উপর অর্পিত সাংগঠনিক কার্যকলাপ সম্পন্ন করিবেন এবং দেশের যেসব প্রতিষ্ঠানে বিপিএ’র সদস্যরা মনোবিজ্ঞানী হিসাবে কর্মরত আছেন তাহাদের সংগে সকল ধরনের যোগাযোগ রক্ষা করিবেন।
ধারা-১৩.৬ :  দপ্তর সম্পাদক :
   দপ্তর সম্পাদক বিপিএ’র যাবতীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করিবেন এবং চিঠি-পত্র আদান প্রদানে সভাপতি ও মহাসচিবকে সহায়তা করিবেন। এছাড়া, বিপিএ’র সকল সাধারণ সদস্য, আজীবন সদস্য এবং অন্যান্য সদস্যদের তালিকা সংরক্ষণ করিবেন।
ধারা-১৩.৬.১ : সহ-দপ্তর সম্পাদক : সহ-দপ্তর সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদকের কাজে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবেন।
ধারা-১৩.৭.  সাংস্কৃতিক সম্পাদক ঃ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সমিতি’র যাবতীয় সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করিবেন।
ধারা-১৩.৮.  প্রকাশনা সম্পাদক ঃ   প্রকাশনা সম্পাদক সমিতি’র প্রকাশনা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পাদনে সহায়তা করিবেন।
ধারা-১৩.৯.  সেমিনার / সিম্পোজিয়াম সম্পাদক ঃ
                   সমিতি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য যেকোন সেমিনার/সিম্পোজিয়ামের যাবতীয় আয়োজন সম্পাদন করিবেন এবং অনুরূপ সেমিনার/ সিম্পোজিয়ামের সার্বিক তত্ত¡াবধান করিবেন।
ধারা-১৩.১০ :   কার্যনির্বাহী সদস্য :
ক.  কার্যনির্বাহী সদস্যগণ সভায় উপস্থিত থাকিবেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মতামত প্রদান করিবেন।
খ.  কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক তাঁহাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করিবেন।
ধারা-১৩.১১ :   উপদেষ্টা পরিষদ:
      কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম/দ্বিতীয় সভায় অনধিক ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে। উপদেষ্টাগণ  কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত প্রদান করতে পারবেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের মতামত গ্রহণ করা যাবে।

ধারা-১৪: সংগঠনের শাখা :
আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ: নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ঢাকা জেলার বাইরে সংগঠনের আঞ্চলিক/বিভাগীয়/ শাখা এবং শাখাভিত্তিক অফিস খোলা যাইবে।

ধারা-১৪.১: আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ-এর গঠন ও কাঠামো :
১. বিপিএ’র ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক কমিটি’র নির্বাচন বিপিএ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের তত্ত¡াবধানে অনুষ্ঠিত হইবে। তবে পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক কমিটি গঠনের প্রস্তুতির সুবিধার্থে প্রথমবার ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা যাইবে। আহবায়ক কমিটিতে একজন আহবায়ক, একজন সদস্য-সচিব ও পাঁচজন সদস্য থাকিবেন।
২. আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক নির্বাহী পরিষদের কাঠামো হইবে নি¤œরুপ: সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক এবং ৫জন অথবা ৭জন অথবা ৯জন নির্বাহী সদস্য। অর্থাৎ আঞ্চলিক নির্বাহী পরিষদের নির্বাহীদের সর্বমোট সংখ্যা ১১জন অথবা ১৩জন অথবা ১৫জন পর্যন্ত হইতে পারিবে।

ধারা-১৪.২ : আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক নির্বাহী পরিষদসমূহের দায়িত্ব, কর্তব্য ও সুবিধা :
১. আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত কার্যাদি বাস্তবায়ন করিবে।
২. আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক নির্বাহী পরিষদসমূহকে তাদের সকল কাজের জন্য কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট জবাবদিহি করিতে হইবে।
৩. কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক অনুমোদন সাপেক্ষে আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ অতিরিক্ত কার্যাদি স¤পন্ন করিতে পারিবে। কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ ভোগ করিবে।
৪. আঞ্চলিক/বিভাগীয় কমিটিসমূহ ঢাকা কমিটি, রাজশাহী কমিটি, চট্টগ্রাম কমিটি, খুলনা কমিটি ইত্যাদি নামে পরিচিত হইবে এবং শাখা ভিত্তিক কমিটিসমূহ “সোসাইটি” হিসাবে পরিচিত হইবে। আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখা ভিত্তিক কমিটিসমূহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সকল কর্মকাÐ পরিচালনা করিবে।
৫. আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখা ভিত্তিক কমিটির আর্থিক ও অন্যান্য কর্মকাÐ পরিচালনার জন্য একটি ব্যাংক হিসাব থাকিতে হইবে। নির্বাহী পরিষদের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হইতে হইবে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ মনিটরিং এবং নিশ্চিত করিবে।
৬. আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখা ভিত্তিক নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক সংগৃহীত ও প্রস্তাবিত নতুন সদস্যদের সদস্যপদ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হইলে সদস্য ফি বাবদ জমাকৃত অর্থের ২০% (বিশ ভাগ) এর সমপরিমান অর্থ চেক মারফত আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখা ভিত্তিক কমিটির ব্যাংক হিসাব খাতে প্রেরণ করা হইবে।
৭. কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ন্যায় আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখা ভিত্তিক নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ হইবে তিন বছর। এক সদস্য এক ভোট ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে; প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট দেওয়া যাইবে না।
৮. আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখা ভিত্তিক নির্বাহী পরিষদ-এর নির্বাচনের পূর্বে অঞ্চল/বিভাগ/শাখা ভিত্তিতে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করিতে হইবে।
৯. কর্মস্থল পরিবর্তন হইলে উপযুক্ত প্রমাণপত্র প্রদর্শনপূর্বক নতুন কর্মস্থলের বিভাগীয় কমিটির নির্বাচনে অংশ লওয়া যাইবে।
১০. কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে মনোবিজ্ঞানের প্রতিটি শাখার জন্য পৃথক সোসাইটি গঠন করা যাইবে। নি¤েœ উল্লেখিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ‘সোসাইটি’সমূহ তাহাদের কর্মকাÐ পরিচালনা করিবে:
ক. প্রত্যেক শাখার সদস্যদের সমন্বয়ে শাখা ভিত্তিক সোসাইটির সাধারণ পরিষদ গঠিত হইবে।
খ. শাখাভিত্তিক প্রতিটি সোসাইটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ এর নির্বাহী সদস্য হিসাবে অর্ন্তভুক্ত হইবেন। তবে বিপিএ’র সাধারণ সদস্যপদ বা আজীবন সদস্যপদ না-থাকিলে কেউ শাখা ভিত্তিক সোসাইটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত/মনোনীত হইতে পারিবেন না।
গ. শাখা ভিত্তিক প্রত্যেকটি ‘সোসাইটি’কে বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এর কোন প্রফেশনাল ডিভিশনের আওতায় রেজিস্ট্রেশন লইতে হইবে।
ঘ. প্রত্যেকটি একাডেমিক শাখা ভিত্তিক সোসাইটি’র পৃথক গঠনতন্ত্র থাকিতে পারিবে। তবে তাহা কোন ভাবেই বিপিএ’র গঠনতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক হইতে পারিবে না।
ঙ. বিপিএ কর্তৃক গঠিত/অনুমোদিত শাখাভিত্তিক যথাযথ ‘সার্টিফিকেশন অথরিটি’ প্রদত্ত সার্টিফিকেট গ্রহণ ব্যতীত কেউ বিশেষজ্ঞ মনোবিজ্ঞানী হিসাবে প্রাকটিস করিতে পারিবেন না। প্রাকটিসিং সাইকোলজিস্ট হিসাবে কাজ করার জন্য যথাযথ সার্টিফিকেশন অথরিটি থেকে সার্টিফিকেট গ্রহণ করিতে হইবে।

১১. গণপূর্তি : আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক নির্বাহী পরিষদ-এর এক চতুর্থাংশ সদস্যকে লইয়া সভার গণপূর্তি হইবে।

ধারা-১৪.৩ : শাখাসমূহের কার্যক্রম স্থগিত :
কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে কোন সময় যে কোন আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদের কার্যক্রম কোনরুপ জবাবদিহিতা ছাড়াই স্থগিত করা যাইবে। এ ব্যাপারে আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদের কোন প্রকার দায়-দায়িত্ব থাকিবে না। কার্যনির্বাহী পরিষদ কোন আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক কার্যক্রম স্থগিত করিলে উক্ত আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদের স্থগিতের কারণ উল্লে¬খ করিয়া ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে ।

ধারা-১৪.৪ : কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ নিয়ন্ত্রণ :
কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে বরাদ্দকৃত বাজেট অনুযায়ী আঞ্চলিক/বিভাগীয়/ শাখাভিত্তিক পরিষদ কার্যক্রম স¤পন্ন করিতে বাধ্য থাকিবে। আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হইবেন ।

ধারা-১৫: নির্বাচন :
ধারা-১৫.১: প্রতিবছর সুবিধাজনক সময়ে বিপিএ’র আয়োজনে একাডেমিক কনফারেন্স/সম্মেলন এবং বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হইবে। বিপিএ’র ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন/তৃতীয় বার্ষিক সাধারণ সভার সময়ই বিধি মোতাবেক নতুন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ-এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে ।

ধারা-১৫.২: নির্বাচন পদ্ধতি :
১. নির্বাচনের সময় রঙ্গিন ছবি যুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করিতে হইবে এবং সংগঠনের কমিটি গঠনের পূর্বে নিবন্ধীকরন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে ।
২. সাধারণ পরিষদের যেকোন সদস্য নির্বাচনের জন্য যতগুলি পদ রহিয়াছে, ততগুলি নাম একত্রে বা ভিন্নভাবে প্রস্তাব করিতে পারিবেন; তবে পরিষদের অন্য একজন সদস্য দ্বারা উক্ত প্রস্তাব সমর্থিত হইতে হইবে।
৩. যাঁহাদের নাম প্রস্তাব করা হইয়াছে তাঁহাদের সম্মতি গ্রহণ করিতে হইবে।
৪. যেকোন পদের জন্য প্রস্তাবিত সদস্য ইচ্ছা করিলে তাঁহার নাম প্রত্যাহার করিতে পারিবেন।
৫. একাধিক পদের জন্য কোন সদস্য প্রতিদ্ব›িদ্বতা করিতে পারিবেন না।
৬. কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ এর সভাপতি অথবা মহাসচিব পদে নির্বাচন করিতে হইলে একজন সদস্যকে অন্তত এক মেয়াদে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদে নির্বাচিত হইয়া কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকিতে হইবে।
৭. সাধারণ পরিষদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে বিপিএ’র কর্মকর্তা নির্বাচন করা যাইতে পারে। তবে, ঐক্যমতে পৌঁছাইতে না পারিলে গোপন ব্যালেটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
৮. কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট প্রদান করা যাইবেনা ।
৯. একই পদে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে সমান সংখ্যক ভোট পাইলে লটারীর মাধ্যমে ফলাফল চ‚ড়ান্ত করা হইবে।

ধারা-১৫.২.১. : ভোটার/প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা:
১. সকল আজীবন সদস্য
২. সদস্যপদ নবায়নকৃত সকল সাধারণ সদস্য
৩. বিপিএ’র পূর্ববর্তী সম্মেলনের পরে এবং নির্বাচনী সিডিউল ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদিত সকল নতুন আজীবন সদস্য/সাধারণ সদস্য
৪. সিডিউল ঘোষণার পর নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত যারা নতুন সদস্য হবেন নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার থাকবেনা।

ধারা-১৫.৩ : নির্বাচন কমিশন :
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে এবং নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় তৎকর্তৃক ঘোষিত সিডিউল অনুযায়ী নতুন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের জন্য যাবতীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার ৪৫ (পঁয়তাল্লি-শ) দিন পূর্বে সাধারণ পরিষদের অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্তক্রমে নির্বাচনে পদপ্রার্থী নহেন অথবা সংগঠনের সদস্য নন এমন তিনজন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নির্বাচন কমিশনের সদস্য হইবেন। তম্মধ্যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অপর দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন। নির্বাচন কমিশন সাধারণ সভার/নির্বাচনের ন্যূনতম ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করিবেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করিবেন। নির্বাচনের পর নির্বাচনের ফল ঘোষণা করিতে হইবে । নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত হইবে ।

ধারা-১৫.৩.১ : নির্বাচনী সিডিউল:
১. খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ
২. খসড়া ভোটার তালিকা সংশোধন ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
৩. নমিনেশন ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের সময়
৪. প্রার্থীদের চ‚ড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
৫. ভোট গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ

ধারা-১৫.৪ : সংগঠনের প্রয়োজনে সাধারণ পরিষদের সভার সিদ্বান্ত মোতাবেক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করা যাইবে।

ধারা-১৫.৫ : নির্বাহী পরিষদ এবং আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ-এর মেয়াদ :
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ এবং আঞ্চলিক/বিভাগীয়/শাখাভিত্তিক পরিষদ এর কার্যকাল দায়িত্ব গ্রহণের পর হইতে তিন বৎসরের জন্য বলবৎ থাকিবে। কমিটির এ মেয়াদকালের মধ্যেই পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করিতে হইবে।

ধারা-১৫.৬ : সর্বশেষ অনুমোদিত কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধিকরণ :
অনিবার্য কারণ বশতঃ নির্বাচিত ও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত কমিটি নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে সমিতি’র নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হইলে নির্বাচিত কমিটি সাধারণ পরিষদের মোট সদস্যের ন্যূনতম ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের সমর্থনে ও অনুমোদনে শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ ৩ (তিন) মাস বৃদ্ধি করিয়া বর্ধিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করিতে পারিবেন। তবে এই সময় বৃদ্ধি ১(এক) বারের বেশী হইবে না ।

ধারা-১৫.৭ : কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদকালীন নির্বাচন :
বিপিএ’র সভাপতি/মহাসচিব/কোষাধ্যক্ষ পদত্যাগ করিলে অথবা কার্যনির্বাহী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য পদত্যাগ করিলে অথবা কমিটি বা কমিটির কোন সদস্য দুর্নীতিগ্রস্থ হইলে/গঠনতন্ত্র বহির্ভূত কার্যক্রমে লিপ্ত হইলে বিপিএ’র সাধারণ পরিষদ প্রয়োজনে মোট সাধারণ সদস্যের ন্যূনতম ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের সমর্থনে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি মেয়াদকালীন সময়ের জন্য পুনর্গঠন অথবা ভাঙ্গিয়া দিয়ে নুতন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষমতা সংরক্ষণ করিবেন ।

ধারা-১৫.৮ : ক্ষমতা হস্তান্তর :
বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করিবেন।

ধারা-১৫.৯ : কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন :
নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের তালিকা নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে অনুমোদনের জন্য ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে দাখিল করিতে হইবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণের পর তাহা কার্যকর হইবে।

ধারা-১৬ : সভাসমূহ :
ধারা-১৬.১ : সাধারণ পরিষদের সভা :
সাধারণ সভা প্রতি এক বছর পর পর অনুষ্ঠিত হইবে। ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে এবং মোট সদস্যদের ১/৫ (এক পঞ্চমাংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হইবে।

ধারা-১৬.২ : কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা :
কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা বছরে কমপক্ষে ৪ (চার) টি করিতে হইবে। ৭ (সাত) দিন পূর্বে তারিখ, সময়, স্থান ও এজেন্ডাসহ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট সদসদের ১/৪ (এক-চতুর্থাংশ)-এর উপস্থিতিতে সভার কোরাম পূর্ণ হইবে ।

ধারা-১৬.৩ : জরুরী সভা :
সাধারণ পরিষদের সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাইবে। মোট সদস্যের ১/৫ (এক-পঞ্চমাংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হইবে। কার্যকরী পরিষদের সভা ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার নোটিশে আহ্বান করা যাইবে। এক্ষেত্রে মোট সদস্যের ১/৪ (এক-চতুর্থাংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হইবে।

ধারা-১৬.৪ : বিশেষ সাধারণ সভা :
যে কোন বিশেষ কারণে সাধারণ পরিষদের সভা ০৭ (সাত) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাইবে। তবে এই সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত লওয়া যাইবে না। বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নোটিশ প্রদান করিতে হইবে। মোট সদস্যের ১/৩ (এক-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হইবে।

ধারা-১৬.৫ : তলবী সভা :
১. সভাপতি/মহাসচিব গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভা আহŸান না করিলে কমপক্ষে মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্য বিশেষ সাধারণ সভা কর্মসূচীর (এজেন্ডা) বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করিয়া স্বাক্ষরদান করতঃ তলবী সভার আবেদন সংগঠনের সভাপতি/মহাসচিবের এর কাছে জমা দিতে পারিবেন।
২. সভাপতি/ মহাসচিব তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভার আহ্বান না করিলে তলবী সদস্যবৃন্দ পরবর্তী মাসে ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে সভা আহ্বান করিতে পারিবেন। তবে তলবী সভা সংগঠনের অফিসে ডাকিতে হইবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ)-এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হইবে।

ধারা-১৬.৬ : মূলতবী সভা :
১. সাধারণ সভার নির্ধারিত সময়ের সর্বোচচ ৩০ (ত্রিশ) মিনিট বিলম্বে সভা করা যাইবে অন্যথায় সভা স্থগিত করিতে হইবে।
২. সাধারণ সভা কোরামের অভাবে স্থগিত করিলে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পরবর্তী সভার নোটিশ প্রদান করিতে হইবে এবং ঐ স্থগিত সাধারণ সভা কোরাম না হইলে যতজন সদস্য উপস্থিত থাকিবেন তাঁহাদের লইয়াই সভা অনুষ্ঠিত হইবে ও তাঁহাদের মতামত/সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
৩. কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হইলে তৃতীয়বার উপস্থিত সদস্যদের লইয়া সিদ্ধান্ত লওয়া যাইবে।

ধারা-১৭ : শূন্য পদ পূরণ :
সাধারণ পরিষদের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের সিদ্ধান্তক্রমে কার্যনির্বাহী পরিষদের শূন্য পদ অবশ্যই পূরণ করা যাইবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণের পর তাহা কার্যকরী হইবে।

ধারা-১৮ : আর্থিক ব্যবস্থাপনা :
ধারা-১৮.১ : সদস্যদের চাঁদা ও অনুদান, দানশীল ব্যক্তিদের দান, সরকারি/বেসরকারি, দেশী/বিদেশী দাতা সংস্থা, ব্যক্তির অনুদান বা ব্যাংক ঋণ ও অন্যান্য উৎসের আয়ই সংগঠনের আয় বলিয়া বিবেচিত হইবে।
ধারা-১৮.২ : সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে যে কোন ব্যাংকে সংগঠনের নামে একটি সঞ্চয়ী/চলতি হিসাব খুলিতে হইবে ।
ধারা-১৮.৩: উক্ত সঞ্চয়ী/চলতি হিসাবটি সংগঠনের সভাপতি/মহাসচিব এবং কোষাধ্যক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হইবে। এই ক্ষেত্রে কোষাধ্যক্ষসহ দুই জনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হইতে অর্থ উত্তোলন করা যাইবে।
ধারা-১৮.৪ : সংগঠনের নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্থাতেই হাতে রাখা যাইবে না। অর্থ প্রাপ্তির সাথে সাথে নগদ অর্থ সংশি¬¬ষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হইবে।
ধারা-১৮.৫ : সংগঠনের দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার জন্য মহাসচিব যথাযথ ভাউচারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করিতে পারিবেন। তবে প্রয়োজন বোধে ১০,০০০/-(দশ হাজার) টাকা পর্যন্ত হাতে রাখিতে পারিবেন ।
ধারা-১৮.৬ : অর্থ খরচের পর খরচকৃত অর্থ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন লইতে হইবে এবং বাৎসরিক সাধারণ সভায় সকল খরচ অনুমোদন এবং বাজেট পেশ ও অনুমোদন করিয়া লইতে হইবে।

ধারা-১৯ : অডিট :
সংগঠনের সকল হিসাব-নিকাশ সরকার অনুমোদিত যে কোন হিসাব সংস্থা (অডিট ফার্ম) বা সংশি¬¬ষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা দ্বারা হিসাব নিরীক্ষা করাইতে হইবে। এই ধরনের হিসাব নিরীক্ষা বার্ষিক ভিত্তিতে হইবে। নিরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রেরণ করিতে হইবে।

ধারা-২০ : বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান বিষয়ক :
সংগঠন বৈদেশিক সাহায্য/অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৯৭৮ সালের ফরেন ডোনেশন অধ্যাদেশের বিধি বিধান অনুসরণ করিবে। বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে সংগঠনটি সরকারের যে কোন একটি সিডিউল ব্যাংকে হিসাব পরিচালনা করিবে।

ধারা-২১ : তহবিল বৃদ্ধি :
সংগঠনের তহবিল বৃদ্ধিতে যে কোন প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পরিচালনা করা যাইবে এবং গৃহীত প্রকল্প/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান শেষে আয় ও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হইবে।

ধারা-২২ : সংগঠনের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ :
সংগঠনের কার্যভার সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করিতে হইবে। নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা চাকুরীর শর্তাবলী ও চাকুরী হইতে বরখাস্তের বিষয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

ধারা-২৩ : গঠনতন্ত্রের সংশোধন পদ্ধতি :
গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনয়নের জন্য সংশোধিত অনুচ্ছেদের উপর সংগঠনের মোট সদস্যের ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) সদস্যের অনুমোদন গ্রহণের পর তাহা চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিতে হইবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হইলে সংশোধনী কার্যকরী বলিয়া বিবেচিত হইবে।

ধারা-২৪ : আইন ও বিধির প্রাধান্য :
অত্র গঠনতন্ত্রে যাহা কিছুই উল্লেখ থাকুক না কেন সংগঠনটির সকল কার্যক্রম ১৯৬১ সনের ৪৬ নং অধ্যাদেশের আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হইবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশি¬¬ষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকরী হইবে।

ধারা-২৫ : সংগঠনের বিলুপ্তি :
যদি কোন সুনির্দিষ্ট কারণে সংগঠনের মোট সদস্যের পাঁচ ভাগের তিন ভাগ সদস্য সংগঠনের বিলুপ্তি চাহেন তবে যথা নিয়মে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদনের পর নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। বিলুপ্তিকালে সংগঠনের কোন দায় দেনা থাকিলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ দায়ী থাকিবেন।

[বিগত ০৮.০৬.২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় সংশোধিত আকারে অনুমোদিত]

বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি)’র গঠনতন্ত্র
(০৮ জুন ২০২৪ পর্যন্ত গৃহীত সংশোধনীসহ)

Constitution of

the Bangladesh Psychological Association (BPA)

(With Amendments up to June 08, 2024)

অনুমোদন: ১৯৭৩ সালের ১৮ই নভেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতির সাধারণ সভায় এই গঠনতন্ত্র অনুমোদিত হয়।

প্রকাশনা: ১৯৭৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র পক্ষে ডঃ মোহাম্মদ রওশন আলী কর্তৃক সমিতি’র গঠনতন্ত্র প্রথম প্রকাশিত হয়।

প্রথম সংশোধনী ও প্রকাশনা: ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র পক্ষে ডঃ আব্দুল খালেক কর্তৃক সমিতি’র সংশোধিত গঠনতন্ত্র প্রকাশিত হয়।

দ্বিতীয় সংশোধনী ও প্রকাশনা: ২০১১ সালের মে মাসে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র দ্বাদশ সম্মেলনে গঠনতন্ত্রের দ্বিতীয় সংশোধনী গৃহীত হয় এবং ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র পক্ষে সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডঃ আনওয়ারুল হাসান সুফী কর্তৃক সমিতি’র সংশোধিত গঠনতন্ত্র পুনঃপ্রকাশিত হয়।

তৃতীয় সংশোধনী ও প্রকাশনা: ২০১৭ সালের ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্রের তৃতীয় সংশোধনী গৃহীত হয় এবং ২০১৮ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র পক্ষে কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডঃ মোঃ শামসুদ্দীন ইলিয়াস কর্তৃক সমিতি’র সংশোধিত গঠনতন্ত্র পুনঃপ্রকাশিত হয়।

চতুর্থ সংশোধনী ও প্রকাশনা: ২০২২ সালের ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্রের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয় এবং ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র পক্ষে কার্যনির্বাহী পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডঃ মোঃ শামসুদ্দীন ইলিয়াস কর্তৃক সমিতি’র সংশোধিত গঠনতন্ত্র পুনঃপ্রকাশিত হয়।

পঞ্চম সংশোধনী ও প্রকাশনা: ২০২৪ সালের ০৮ জুন বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্রের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে কার্যনির্বাহী পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডঃ মোঃ শামসুদ্দীন ইলিয়াস কর্তৃক সমিতি’র সংশোধিত গঠনতন্ত্র পুনঃপ্রকাশিত হয়।